জর্জ ফ্লয়েডকে পুলিশের নির্মম হত্যা করার প্রতিবাদে যেখানে সমস্ত আমেরিকার মানুষ ক্ষোভে ফেটে আন্দোলন করছে, সেখানে মায়ামির কিছু পুলিশ সদস্য স্থাপন করল সাম্যের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ।
যেখানে পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধেই আন্দোলন, সেখানে আন্দোলনকারীদের সামনে হাঁটু গেরে সম্মান জানিয়ে আন্দলনে নিশ্চুপ সমর্থন জানালেন মায়ামির একটি থানার কয়েকজন পুলিশ সদস্য।
প্রায় প্রতিটি রাজ্যেই এই রকম ক্ষোভ বিক্ষোভ চলছে, মায়ামিতে এক পুলিশ ষ্টেশনের উদ্দেশ্যে সাধারণ জনগণ তাদের ক্ষোভ প্রদর্শণ করতে ক্ষিপ্ত হয়ে এগিয়ে যেতে থাকে, পুলিশও প্রস্তুত পাল্টা একশন নিতে, আঘাত আসলেই প্রতিঘাত এমন এক মহুর্তে পুলিশের এক উর্ধতন কর্মকর্তা বিক্ষোভকারীদের সামনে হাটু ঘেরে বসে পড়েন, সেই পুলিশকে অনুসরণ করে অন্যান্য পুলিশও হাটু ঘেরে বসে পরেন, তাদের মাথার হেট খুলে বসে পরার কারণে সবাই বুঝে গেল যে তারা আত্নসমর্পণ করেছে।
উতেজিত আন্দোলনকারী জনগণও এর বিপরীতে পুলিশ সদস্যদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন কর।
মিনিয়াপোলিশে জর্জ ফ্লোয়েড নামে এক কৃষ্ণাঙ্গ হত্যার অভিযোগ ঘিরে ঘটনার সুত্রপাত। অভিযোগ, শ্বেতাঙ্গ এক পুলিশকর্মী তাঁর পা দিয়ে পিষে মেরেছেন জর্জকে। এই নৃশংসতা ও বর্ণবৈষম্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু হয় মিনিয়াপোলিশে। ক্রমে তা ছড়িয়ে পড়ে গোটা মার্কিন মুলুকে। ব্যাপক ভাবে চলেছে সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা।
অভিযুক্ত পুলিশের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে, এবং এই হত্যার প্রতিবাদে সেই পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রী তাকে ডিভোর্স দিয়েছে ইতোমধ্যেই।
এর আগেও ম্যানহাটনে ২০১৪ সালে একইভাবে এরিক গার্নার নামে এক কৃষ্ণাঙ্গকে হত্যা করা হয়েছিল। এমনটাই অভিযোগ প্রতিবাদীদের।


0 Comments